আমরা হতদরিদ্র বস্তি এলাকায় বিক্রয় কার্যক্রম জোরদার করব

একান্ত সাক্ষাৎকারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ  >>> 
 

বর্তমান কোরোনা পরিস্হিতিতে দেশে প্রানিজ আমিষ সমস্যা 

যাতে বিরাজ না করে এবং কোনো ব্যবসায়ী গোস্টি যদি এর 

অতিরিক্ত সুযোগ সুবিধা গ্রহন না করতে পারে এবং সর্বপরি 

খামার মালিকেরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মুল্য পান

এসব উদ্দেশ্য কে সামনে রেখে প্রানিসমপদ অধিদপ্তরের 

প্রানিসমপদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প ( এলডিডিপি ) প্রানিসমপদ 

অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রানিসমপদ মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় দেশব্যাপি ন্যায্যমুল্যে ভ্রাম্যমান দুধ, ডিম, মাংস বিক্রয় কাযর্ক্রম 

চলছে ।

চলমান কার্যক্রম ও এর মুল্যায়ন পরিধিসহ আজ সকালে দেশের একমাত্র কৃষি, মৎস্য, পোলট্রি , ডেইরি ও প্রানিসমপদ বিষয়ক পত্রিকা “সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষ “ এর সম্পাদক ও প্রকাশক মোহাম্মদ নুরুজজামানের সাথে ফোনালপে এক বিশেষ সাক্ষাতকারে মিলিত হন মৎস্য ও প্রানিসমপদ মন্ত্রনালয়ের সুযোগ্য সচিব রওনক মাহমুদ ——


 

কৃষি ও আমিষ : আসছালায়মলায়কুম। শুভ সকাল । স্যার কেমন আছেন ।


 

সচিব : ওয়ালেকুমছালাম । ভালো আছি, আপনি কেমন আছেন।


 

কৃষি ও আমিষ : জি স্যার ভালো আছি । স্যার আমার কৃষি ও আমিষ নিয়মিত পাচ্ছেন তো ?


 

সচিব : জি পাচ্ছি । বাড়ীতেও পাচ্ছি , অফিসেও পাই ।


 

কৃষি ও আমিষ : স্যার সময় থাকলে আপনার সাথে বর্তমান 

কোরোনা পরিস্হিতিতে আমাদের প্রানিসমপদ অধিদপ্তরের

বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে কিছু আলোচনা করতে চাই ।


 

সচিব : নিশ্চয় বলুন কি জানতে চান ।


 

কৃষি ও আমিষ : বর্তমান যে বিষয়টি সবচেয়ে আলোচিত এবং

নিঃসন্দেহে প্রশংসিত তা হচ্ছে দেশব্যাপি ন্যয্যমুল্যে দুধ ডিম ও মাংস্য বিক্রয় । এই কার্যক্রমে আপনারা কতটুকু সফলতা পেয়েছেন ?


 

সচিব : দেখুন আমাদের এই কার্যক্রম খামারী এবং ভোক্তা

সাধারন কে ঘিরে । আমরা চেষ্টা করছি খামার মালিকেরা 

এই সময়ে তাদের উৎপাদিত পন্যের সঠিক মুল্য পাক পাশাপাশি 

ভোক্তা সাধারনও যেন তাদের পন্যটি সঠিক মুল্যে কিনতে পারে।

এখন যদি এই কার্যক্রমের মুল্যায়নের কথা বলেন, তাহলে আমি 

বলব, মুল্যায়ন আপনারা করবেন । তবে আমি বলব আমার 

মন্ত্রনালয় এ ব্যাপারে সর্বপ্রকার সহযোগিতা করছে ।


 

কৃষি ও আমিষ : আমি গতকাল মোহম্মদপুর জাপান সিটি গার্ডেনের সামনে লক্ষ করেছি যে তিনটি বিক্রয় মাইক্রো

একসংগে পন্য বিক্রয় করছে এবং এখানে খুব একটা ক্রেতার 

সমাগম ছিল না । অথচ তিনটি আলাদা আলাদা জায়গায়

গেলে মনে হয় ভোক্তা বা ক্রেতার সন্ধ্যান মিলতো ?


 

সচিব : আমাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কখনই কোনো স্পটে

একের অধিক বিক্রয় পিকআপ বা মাইকরো থাকার কথা নয়।

আর যদি ওখানে থেকে থাকে তাহলে আমার ধারনা বিক্রয় 

শেষে তারা একসংগে মিলিত হয়েছেন ।


 

কৃষি ও আমিষ : হতদরিদ্রদের যেখানে বসবাস অর্থাৎ আমরা যাদেরকে বস্তিবাসী বলে থাকি অর্থাৎ রেল কলোনি, জেনেভা

কলোনিসহ আরো বহু কলোনি আছে যেখানে প্রচুর হতদরিদ্র 

বসবাস করে । সেখানে কিনতু এখনও এই ন্যায্যমুল্যের ডিম দুধ

মাংস পৌছে নেই । এ ব্যাপারে আপনার মতামত কি ?


 

সচিব : আপনি সঠিক সময় সঠিক প্রশ্নটি করেছেন । আজ 

থেকেই আমাদের ঢাকার বিভিন্ন বস্তি এলাকায় বিক্রয় কার্যক্রম 

চালানো হবে বলে আমি যতটুকু জানি । তবুও বিষয়টি আপনারা মনিটারিং করবেন বলে আমি আশা রাখি ।


 

কৃষি ও আমিষ : এলডিডিপি প্রকল্পের আওতায় এই বিক্রয়

কার্যক্রম শুধু কি লকডাউন বা রমজান মাসব্যাপি চলবে ?


 

সচিব : দেখুন এই বিক্রয় কাযর্ক্রম এলডিডিপি’র প্রকল্পেরই

একটি অংশ । দেশের প্রানিসমপদ উন্নয়নে খামার মালিকেরা

বা উৎপাদনকারিরা যে অবদান রাখছেন, অনেক সময় তাদের 

এই উৎপাদিত পণ্য নিয়ে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে দেখা যায় ।

বিশেষ করে পণ্যের মুল্যের বিষয়টি । পন্যের যথাযথ মুল্য না 

পেয়ে অনেক সময় বড় ধরনের লোকসান গুনতে হয় খামারীদের 

সেটা ডিম দুধ মাংস সব ক্ষেত্রে । তাই বর্তমান সরকার খামারীদের পাশে থেকে তাদের উৎপাদিত পণ্য সঠিক মুল্যে 

বিক্রয়ের ব্যবসহা করছে এই প্রকল্পের আওতায় ।


 

কৃষি ও আমিষ : আপনি কি মনে করেন এতে করে মধ্যসত্ব 

ভোগিরা পিছ পা হবে ?


 

সচিব : অবশ্যই । আপনি লক্ষ করেছেন সরাসরি খামার থেকে 

ভোক্তা সাধারনদের কাছে পৌছেঁ যাচ্ছে এসব মুল্যবান প্রানিজ 

আমিষ এবং সবাই আনন্দের সাথে কিনছে । 


 

কৃষি ও আমিষ : খামারীদের কাছ থেকে সহযোগিতা কেমন আসছে তাদের অনুভুতি কেমন ?


 

সচিব : অবশ্যই অবশ্যই তারা সবসময় আমাদের সাথেই থাকছে । সর্বত্রভাবে সহযোগিতা করছে । আমাদের দপ্তর এবং খামার মালিকেরা একইসংগে আমরা মিলেমিশে এই ভ্রাম্যমান 

বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি । খামারীরা পন্যের ন্যয্যমুল্য 

পাওয়াতে খুশির অনুভুতি প্রকাশ করছে ।


 

কৃষি ও আমিষ : স্যার এবার আমাদের সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষ 

পত্রিকা সম্পর্কে কিছু বলুন ?


 

সচিব : সাপ্তাহিক কৃষি ও আমিষের সব সংবাদ আমি পড়তে না পারলেও আমার সংশিষ্ট বিভাগের খবরগুলি আমি মনোযোগ

সহকারে পড়ি । মাঠ পর্যায়ের অনেক খবর থাকে,আর্টিক্যাল 

থাকে যে গুলো পালনকারীদের সহযোগীতায় আসবে বলে আমি মনে করি । তাছাড়া বেশকিছু প্রতিবেদন দেখি যেগুলি আমরা শুধুমাত্র আপনার পত্রিকার মাধ্যমেই জানতে পারি । আপনি 

আপনার লেখনির মাধ্যমে প্রকাশনার মাধ্যমে জাতীকে কিছু দিচ্ছেন এ জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ।


 

কৃষি ও আমিষ : আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ । আপনি আপনার মেধা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে  সততা ও ধৈর্য্য 

সহকারে সেক্টর পরিচালনা করছেন এ জন্য দেশের সকল 

উৎপাদনকারীর পক্ষ থেকে আপনাকে প্রানঢালা

You May Also Like