আমাজানের ভয়ঙ্কর মানুষ খেকো পিরান্হা এখন বাংলাদেশের বাজারে

মোঃ জোবায়ের আলী জুয়েল 


বৈজ্ঞানিক নাম সেরা স্যালমান ন্যাটেরেরি। সাধারণ মানুষ চেনে আরেকটা নামে পিরান্হা। হিং¯্রতা আর ভয়ঙ্করতার দিক থেকে পিরান্হা নামে দক্ষিণ আমেরিকার এই মাছ বিশ্ব জুড়ে এখন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 
সারা দেশে যখন অব্যাহত ভাবে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজানের মানুষ খেকো ভয়ঙ্কর রাক্ষুসে পিরান্হা মাছের বিষয়ে তদন্ত ও টাস্ক ফোর্ড গঠন করা হচ্ছে তখনই বিভিন্ন জেলার হাট বাজারের তোয়াক্কা না করে অবাধে বিক্রি হচ্ছে এই রাক্ষুসে মাছ পিরান্হা। বিভিন্ন হাট বাজারে মাছ ব্যবসায়ীরা একে থাই রূপচাঁদা হিসেবে ক্রেতাদের নিকট ১৫০/২০০ টাকা কেজি দরে গছিয়ে দিচ্ছে। মাছটি খেতে সুস্বাদু বলে বিক্রেতারা সব জায়গাতে এটা প্রচার করে বেড়াচ্ছে। জানা যায় আমাদের বগুড়ার আদম দিঘীতে সর্বপ্রথম পুকুরে এই মাছের চাষ শুরু হয়। 
দক্ষিণ আমেরিকার খর¯্রােতা নদী আমাজানের ভয়ঙ্কর রাক্ষুসে মাছ পিরান্হা পোনার চাষ ১৯৯৮ সাল থেকে অ-অনুমোদিত ভাবে বাংলাদেশের এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী চুপিসারে এ মাছের উৎপাদন শুরু করেছে। বিদেশী জাতের মাছ দেশে বাণিজ্যিক ভাবে চাষ করতে হলে প্রয়োজন সরকারী ভাবে পাইলট টেষ্টের অনুমোদন। পিরান্হার মতো দ্রুত বর্ধনশীল ভয়ঙ্কর মাংসসাশী রাক্ষুসে মাছের ব্যাপক চাষ শুরু হলে বাংলাদেশের বহু প্রজাতি মাছের বিলুপ্তি ঘটবে বলে মনে করেন আমাদের মৎস্য বিজ্ঞানীরা। 
মানুষ খেকো হিসেবে পিরান্হা মাছের দুনিয়া জোড়া রয়েছে এদের সাংঘাতিক বদনাম। ভয়াবহতা ও হিৎ¯্রতার দিক থেকে পিরান্হা সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। অথচ মাছটি আকারে তেমন একটা বড় নয়। প্রথম দর্শনে মাছটিকে বেশ নিরীহ গোছের মনে হয় সবার কাছে। পেট মোটা চ্যাপ্টা সাইজের এই মাছটি অনেকটা আমাদের দেশীয় রূপচাঁদার মতো দেখতে। মাছটি খেতেও নাকি বেশ সুস্বাদু। পিরান্হা আসলে সিলভার ডলার নামক এক জাতের মাছের নিকট আত্মীয়। অ্যাকোরিয়ামের যাদের শখ আছে, সিলভার ডলার মাছটি তাদের কাছে খুবই প্রিয়। কিন্তু সিলভার ডলার মাছের সাথে স্বভাবের দিকে থেকে ছিটে ফোঁটারও মিল নেই এই পিরান্হা মাছের।  
পিরান্হার বিশাল মাথাটা ঢেকে রয়েছে তার লম্বা লম্বা আঁশ দিয়ে, আর তার নিচেই চাঁচা ছোলা খুলিটা শক্ত আর পুরু হাড় দিয়ে গড়া। মাথার দু’পাশে বড় বড় গোল দুটি চোখ কখনো কখনো টক্ টক্ েলাল থাকে ওগুলোর রং। পুরো মুখ জুড়ে সাজানো রয়েছে ভয়ঙ্কর চোয়ালে অনেকগুলি দাঁতের সারি। ক্ষুরধার ঐ করাতের মতো দাঁত গুলি হলো পিরান্হার সবচেয়ে বড় মারাত্মক অস্ত্র। নীচের চোয়াল টাকে বুলডগের মতো সামনে বাড়িয়ে রাখে পিরান্হা তারপর যখন কচ্ করে এক করে ফেলে চোয়াল দু’টো সামান্যতম ফাঁকও আর থাকে না ওপর আর নীচের দাঁত গুলোর মধ্যে। ও দুটোর মাঝখানে কোন কিছু পড়লে আর রক্ষা থাকে না। মাখনের ভেতর করাত চালানোর মতো মনে হয় ব্যপার টা। 
পিরান্হা কারো শরীরে একবার দাঁত বসাতে পারলেই তার আর রক্ষে নেই। একেক টা কামড়ের সাথে চলে আসে মাংসের গোল একেক টা টুকরো। নিখুঁতভাবে কেটে আলাদা করা। পিরান্হা নামের অর্থই হলো দাঁতাল মাছ। স্প্যানিশ ভাষায় পিরান্হা কে ডাকে ক্যারিবা বা নরখাদক মাছ বলে। এদের এই বিখ্যাত দাঁতের কুখ্যাতি সর্বজন বিদিত। মৃত কিংবা জীবন্ত যাকেই নাগালের মধ্যে পাকনা কেন, মুহুর্তেই মধ্যে ছিড়ে খুঁড়ে শেষ করে দেয়।  
পিরান্হা ভর্তি কোন নদী থেকে যখন গরু মোষের পাল পার করা হয় রাখলরা তখন ভাটির মুখে সদ্যমৃত একটা কুমির বেঁধে রাখার ব্যবস্থা করে। রাখালরা যখন নদী পার হয় তখন পিরান্হা মৃত কুমির সাবাড়ে ব্যস্ত থাকে। রাখালরা যদি কুমির মারার ব্যবস্থা করতে না পারে তাহলে গরু কিংবা মোষকে পিরান্হাদের ভোজের জন্য উৎসর্গ করতেই হবে। নইলে নদী পার হওয়া এক কথায় দুষ্কর। আমাজানে মাছ ধরার কথা কেউ কখনও কল্পনাও করতে পারে না। একবার এক ডাকপিওন তীরে বসে বড়শী ফেলেছিল হঠাৎ কিভাবে যেনো সে পা ফসকে পড়ে যায় নদীতে। সাথে সাথে পানিতে উঠে এলো প্রবল আলোড়ন। পিরান্হা পানিতে ঝাঁকে ঝাঁকে তাকে ধর ফেলে। পরে যখন লোকটাকে টেনে তোলা হয়, শুধু একটা নরকঙ্কাল উঠে এসেছিল নদী থেকে।  
দলবেঁধে হামলা চালাতে খুব পারদর্শী পিরান্হা। কখনো কখনো হাজার হাজার দল বেঁধে পানিতে থাকে এরা। মুখ এরা খুলে আবার বন্ধ করে বার বার। বাতাসে অদৃশ্য কিছু একটা বস্তুকে যেনো সবসময় এরা কামড়ে ধরতে চায়। পিরান্হার কথা সভ্য জগতে প্রথম নিয়ে আসেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট থিওডোর রুজভেল্ট ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়। ব্রাজিলের অরণ্যে ঘোড়ায় চড়ে নদী পার হতে যাওয়া এক লোককে চোখের সামনে কঙ্কাল হয়ে যেতে দেখে ছিলেন রুজভেল্ট স্বয়ং নিজেই। ফিরে এসে প্রত্যক্ষ দর্শীর বর্ণনা দিয়েছিলেন তিনি। সভ্য জগতের মানুষ তখনই জানতে পারে মানুষ খেকো এই পিরান্হা মাছের কথা। সেই থেকে সারা পৃথিবীতে কুখ্যাত হয়ে আছে দক্ষিণ আমেরিকার এই ক্ষুদে দানব মাছটি। 
১৯৭৬ সালের নভেম্বর মাসের একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলেই বোঝা যাবে সেটা। ব্রাজিলের ম্যানাউ শহর থেকে ১২৫ মাইল দুরে ফেরী করে উরুবু নদী পার হয়ে যাচ্ছিল যাত্রী বোঝাই একটা বাস। নদীটাতে সব সময় গিজ গিজ করতো রাক্ষুসে ভয়ঙ্কর পিরান্হা মাছ। দূর্ঘটনায় অকস্মাৎ ফেরী থেকে নদীতে পড়ে যায় বাসটা, আর রক্ষে নেই। দু’ঘন্টা পর যখন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার কর্মীরা বাসটিকে তুলতে সক্ষম হয় অকস্মাৎ চমকে উঠে সবাই, অজ¯্র কঙ্কালের স্তুপ পড়ে আছে সবার। দূর্ঘটনায় নিহত ৩৮ জন যাত্রীর শুধু হাড়গুলো ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট ছিলনা তাদের দেহে।  
প্রাণী বিজ্ঞানীরা অনেকে মনে করেন পিরান্হা হাঙরের চেয়ে ভয়ানক বিপদজনক প্রাণী। অগভীর পানিতে থাকলে সবচেয়ে মারাত্মক আর হিং¯্র হয় পিরান্হা। পুকুর, খাল, হ্রদ কিংবা নদীর প্রবেশ মুখ গ্রীষ্মের খরতাপে শুকিয়ে যায় যেসব জায়গা সে সব জায়গায় প্রকাশ পায় এদের আসল চেহারা। পানি যতই শুকাতে থাকে ততই কমে আসতে থাকে ছোট জাতের অন্যান্য মাছের সংখ্যা। স্বাভাবিক সময়ে এগুলিই হয় পিরান্হার খাদ্য। খাদ্যাভাব বাড়ার সাথে সাথে আরো আগ্রাসী স্বভাবের হয়ে উঠে এই হিং¯্র রাক্ষুসে দানব মাছগুলি। গরু, মহিষ, ছাগলও রেহাই পায়না এদের হাত থেকে। অনেক সময় অল্প পানিতে দাড়িয়ে থাকা এসব গৃহপালিত জীব জানোয়ারের লেজের ডগা কিংবা স্তনের বোটা কামড়ে কেটে নিয়ে যায় পিরান্হা।  
মাছটার এরকম আক্রমণাত্মক স্বভাবের পেছনে অনেকগুলি কারণ থাকতে পারে। সর্বগ্রাসী ক্ষুধাতো রয়েছেই, তদুপরি সেই সাথে রয়েছে অল্প পানিতে শিকারের অভাব এবং এক জায়গায় অনেকগুলি স্বজাতির উপস্থিতির মতোই ব্যাপার। ফলে সব সময় থাকে খাবারের টানাটানি। প্রখর দৃষ্টি শক্তি এদের। ঘ্রাণশক্তি ও প্রবল। পানির নীচে কম্পন অনুভব করে এরা টের পায় শিকারের অস্তিত্ব। রক্তের গন্ধ পেলে পাগল হয়ে যায় পিরান্হা। মুখে হা’ করে এত্তো জোরে ছুটে আসে উৎসের দিক থেকে যে সাধারণ মানুষের চোখে শুধু একটা ঝাপসা অবয়ব আর কিছুই ধরা পড়ে না। 
পিরান্হা অনেক জাতের রয়েছে কয়েক ইঞ্চি থেকে শুরু করে ২ ফুট পর্যন্ত লম্বায় হতে পারে এরা। দক্ষিণ আমেরিকার আন্ডীজ পর্বত মালার পূর্ব দিকে ক্যারিবিয়ান সাগর ঘেষা দেশগুলো থেকে শুরু করে উত্তর আর্জেন্টিনা পর্যন্ত সব জায়গায় খাল, বিল, নদী, পুকুর সব খানেই দেখা যায় এদের অবাধ বিচরণ। কোনো কোনো টা হয় গোল্ড ফিশের মতোই নিরীহ। আবার কতকগুলো আছে মারাত্মক ভয়ঙ্কর, একেবারে জাত খুনির মতো। 
জীব জন্তুর স্বাভাবিক নিয়ম বজায় রাখতে পিরান্হা জন্ম দেয় ভবিষ্যত বংশ ধরদের। সন্তান লালন পালন করে এরাও। পানীর নিচে জলজ উদ্ভিদের ওপর হাজার হাজার ডিম পাড়ে মা’ পিরান্হা। তারপর ডিমগুলোকে নিষিক্ত করে তোলে পুরুষ পিরান্হা। ডিম ফুটে বের হওয়ার পর বেশ ক’দিন ওই জায়গাতেই লেগে থাকে বাচ্চারা। এই কয়েক দিন শুক কীট গুলোকে পাহার দিয়ে রাখে বাপ পিরান্হা। তা’ না হলে অনেক আগেই অন্য মাছের পেটে হজম হয়ে যেতো ওরা। বাচ্চারা পুরোপুরি সাঁতার কাটতে শেখার পরেই শুধু ছেড়ে যায় ওদের বাবাকে সন্তানরা। ততদিনে অনেক স্বাবলম্বী হয়ে বেড়ে উঠে এরা। 
পিরান্হা সবাই একত্রে দল বেঁধে বিচরণ করতে ভালোবাসে। নিজের চাইতে বহুগুণ বড় জীবকে ঘায়েল করতে এরা পিছপা হয় না। শিকার যদি আহত হয় তা’হলে তো আর কোন কথাই নেই। শিকার বড় আকারের কোন মাছ হলে প্রথমেই লেজটা কেটে আলাদা করে ফেলে পিরান্হারা। নড়াচড়া করার কোন শক্তি থাকেনা বেচারার। খাবারকে সাবাড় করতে গিয়েও চমৎকার এক পদ্ধতি ব্যবহার করে এরা। প্রতিটি পিরান্হা একসঙ্গে কামড় বসায় শিকারের গায়ে। তারপর পিছিয়ে আনে নিজের শরীরটা শিকারের গা’ থেকে এক খাবলা মাংস ছিড়ে আসে শিকারীর মুখে। ঐ জায়গায় যে গর্তটা তৈরী হয় তড়িৎ গতিতে সেখানটায় মুখ সেঁধিয়ে দেয় আরেক পিরান্হা। সেও পরবর্তীতে পূনরাবৃত্তি করে ব্যাপারটা। এভাবে সবাই মিলে ভোজের শেষে শুধু কঙ্কাল টা ছাড়া আর কিছুই ফেলে রাখে না। বাগে পেলে পাখিদের পর্যন্ত ছাড়ে না এই ভয়ঙ্কর পিরান্হা মাছ। অনেক সময় দেখা যায়, জলাভূমির ওপর নীচু দিয়ে উড়তে থাকা সারস কিংবা বুনো হাঁসেরা হঠাৎ করেই অদৃশ্য হয়ে যায় রক্ত আর ফেনার মাঝে। 
সর্বাগ্রে মানুষ যে পিরান্হা মাছ খায় তা’জানা যায় ইন্ডিয়ানদের কাছ থেকে। ইন্ডিয়ানদের কাছে ভীষণ প্রিয় খাবার হচ্ছে পিরান্হাদের মাংস। বিষাক্ত টিম্বো গাছের বাকল পানিতে ছড়িয়ে দেয় এরা। অল্পক্ষণ পরেই জলের মধ্যে ধরা পড়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পিরান্হা। কয়লার আগুনে ওগুলোকে ঝলসিয়ে খায় তারা। চোঁয়াল গুলিকে ব্যবহার করে কাঁচি হিসাবে। টিম্বল গাছের বাকল কাটতেই আবার ব্যবহার করা হয় এই কাঁচি। বিষ মাখানো দাঁত দিয়ে তৈরী হয় তীরের ফলা ও বর্শা। 
টাপামো নদীর তীরে বাস করে ব্রাজিলের আদিবাসী ইন্ডিয়ানরা। ইন্ডিয়ানদের এক সর্দার পুকুর ধারে পানিতে ছুড়ে ফেলছিল মুরগীর অপ্রয়োজনীয় অংশগুলিকে লোকটা। কাজ টাজ শেষ করে নীচু হয়ে যেইনা রক্ত মাখা হাতটা ধুতে যাবে পানিতে অমনি আলোড়ন উঠলো পানিতে। তীব্র আর্তনাদ করে পিছিয়ে এলো গোত্রপতি সর্দার। হাতের একটা আঙ্গুল নিখুতভাবে কেটে নিয়ে গেছে ভয়ঙ্কর রাক্ষুসী পিরান্হা। স্বচক্ষে এই ঘটনা দেখেছিলেন গ্রামের কয়েকজন লোক। পিরান্হা পানিতে সর্দারের আঙ্গুলে কামড় বসিয়ে দিয়ে খন্ড করে কেটে নিয়ে গেছেন তার হাতের আঙ্গুলটি। 
সুতরাং আমাদের দেশে এই ভয়ঙ্কর রাক্ষুসে পিরান্হা মাছের কবল থেকে দেশ ও জাতির প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে অবশ্যই আইন করে এখনই এর চাষ ও ধরা চিরকালের মতই বন্ধ করে দিতে হবে। যারা বা যে দল ও গোষ্ঠী এ মাছটি চাষ করবে তাদের জন্য কঠিন আইনের শাস্তির বিধান করে আদালতে তাদের অবশ্যই সোপর্দ করতে হবে। 
বাংলাদেশে ভয়ঙ্কর পিরান্হার চাষ ও বিক্রি বন্ধ না হলে কয়েক দশকের মধ্যে আমাদের নদী, নালা, পুকুর, খাল, বিল ও জলাশয়ের সমস্ত প্রজাতির মাছ শুন্য হয়ে অচীরেই দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে বলে বিশেষজ্ঞরা মত ব্যক্ত করেছেন। সুতরাং সময় থাকতে সবার এখনই আমাদের সচেতনতার দরকার রয়েছে। তা না হলে অচিরেই এই ভয়ঙ্কর রাক্ষুসে পিরান্হার ছোবলে গ্রামে গঞ্জে ও মানুষ আক্রান্ত হতে পারে এদের দানবীয় শক্তির কাছে। 
উপসংহারে একটা কথা জানিয়ে রাখছি ভেবে দেখুন কখনো যদি আমাদের দেশে দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের নদীর মতো এ’রকম অবস্থার বিরাজমান হয়- 
অনেক দিন পর গ্রামে গিয়ে গোসল করতে নেমেছেন পুকুরে, হঠাৎ করেই নেই হয়ে গেলেন আপনি। রক্তে লাল হয়ে গেলো জায়গাটা। এ এক হৃদয় বিদারক মর্মান্তিক ঘটনা। কেমন লাগবে তখন প্রত্যক্ষদর্শীদের? 
 

You May Also Like