প্রসঙ্গ : প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়

কোনো ছোট দুর্নীতি বা লঘু অপরাধকে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখা এবং মার্জনা করা আমাদের রেওয়াজ হয়ে গিয়েছে প্রশাসনে। এ জন্যই অতীতের সেসব লঘু এবং ছোট অপরাধী ও দুর্নীতিবাজরা এখন এক এক জন লাঘব বোয়াল দুর্নীতিবাজে পরিনত হয়েছে ।  
হ্যাঁ আমরা আমাদের প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরে এই চিত্র দেখতে পারছি। ডিএলএস সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিএলও ইউএলও পর্যায়ে প্রকাশ্যে দুর্নীতি চলছে। এ সব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীরা নিজেদের এখন সুপার হিরো মনে করছেন। তবে আমরা অস্বিকার করবনা ভালো, সৎ কর্মকর্তাও রয়েছে অনেক। 
কারন কি জানেন ? এরা অপরাধ দুর্নীতি করেও শাস্তির বদলে ক্ষমা পেয়েছেন তাই ! 
আমরা মনে প্রানে বিশ্বাস করি এই মুহুর্তে  আমাদের সেক্টরে এখন তিনজন সর্বচ্চ ক্ষমতার অধিকারী জন কর্মরত আছেন যেনারা এক একজন সৎ নির্ভিক কর্মদক্ষতায় আয়রনম্যান। অর্থাৎ মাননীয় মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি, মাননীয় সচিব কৃষিবিদ রওনক মাহমুদ এবং মাননীয় মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার সিকদার। আমরা আপনাদের প্রতি সমমমানের সহিত গভির অনুরোধ করে বলছি, আমাদের প্রানিসম্পদ বিভাগে এবং এর বাইরে ঔষধ কোমপানীগুলো বিশেষ করে আমদানীকারক যারা আছেন তাদের প্রতি লাগাতার অভিযান চালানোর ব্যবস্থা করেন দেখবেন কত শত শত অপরাধী চোর বদমাস ডাকাত লুটেরা পাওয়া যাবে। এদের শায়েস্তা না করলে সেক্টরের উন্নয়ন কখনই সম্ভব নয়। সম্প্রতি আমরা আমাদের পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে বেশ কয়েকটি সেক্টরের দুর্নীতি বিষয়ক সচিত্র প্রতিবেদন করেছিলাম, যা আমরা ডিএলএস থেকে মাঠ পর্যায় এবং ওষুধ কোম্পানীর অবৈধ ওষুধ সম্পর্কে তুলে ধরেছিলাম ।  
এরপরেও আমরা আবারও বলছি এবং মনে করে দিতে চাই, মাননীয় মন্ত্রী, সচিব ও মহাপরিচালক মহোদয়কে আপনারা যদি এই দুর্নীতি বা অপরাধ ঠেকাতে না পারেন তাহলে চিরকালে আর কেউ ঠেকাতে পারবে বলে মনে হয় না। কারন একইসংগে পরিচ্ছন্ন মন্ত্রী, সচিব ও মহাপরিচালক পাওয়া বড় দুস্কর আমাদের সেক্টরের জন্য !! তাই আবারো অনুরোধ করছি। যথা শিঘ্রই শুদ্ধি অভিযান চালানোর ব্যবস্থা করুন চষবধংব. 
 

You May Also Like