কুকুর বন্ধ্যাকরণের উদ্যোগ

আমিষ ডেস্ক ॥ 

কুকুরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। এ যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে ঢাকা দ্ইু সিটি করপোরেশন বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ গ্রহন করলেও তেমন সুফল মেলেনি। এবার উপদ্রব ঠেকাতে স্থানান্তর-বন্ধ্যাকরণের উদ্যোগ নিয়েছে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন। জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুরের উপদ্রব নিয়ে প্রতিদিন অভিযোগ আসে সিটি করপোরেশনে। কেউ ফোনে কেউ বা লিখিত ভাবে অভিযোগ জানাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, কুকুরের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ সবাই। বাহিরে চার পাশে ঠাঁই নিয়েছে অসংখ্য বেওয়ারিশ কুকুর। এরা সবসময় ঘেউ ঘেউ করে। রাস্তায় বের হলে এমন আচরণ করে যেন কামড়ে দেবে। এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, রাজধানীতে ৫০ হাজারেরও বেশি কুকুর রয়েছে । এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতেই  (ডিএসসিসি) রয়েছে ৩০ হাজারের বেশি কুকুর। এ অবস্থায় কুকরের যন্ত্রণা থেকে নগরবাসীকে রেহাই দিতে ডিএসসিসি বেওয়ারিশ কুকুর শহরের বাইরে স্থান্তরের চিন্তা করছে। অন্যদিকে ঢাকা উওর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নতুন করে বন্ধ্যাকরণ ভ্যাকসিন প্রয়োগ করবে কলে জানা গেছে। এ বিষয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের বলেন, কুকুরের উপদ্রবের বিষয়ে বিভিন্ন সময় সিটি করপোরেশনে অভিযোগ আসছে। এ অবস্থায় ডিএসসিসি এলাকার কুকুর স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে। যদিও কেবল এটা চিন্তা করা হয়েছে। এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি স্থানান্তর করা হয় তাহলে আগে দেখতে হবে একসঙ্গে এত কুকুরগুলো মাতুয়াইলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এক এলাকায় বিপুলসংখ্যক কুকুর রাখলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কায় এ পরিকল্পনা দেখে সরে এসে যদিও কেবল এটা চিন্তা করা হয়েছে। এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি স্থানান্তর করা হয় তাহলে আগে দেখতে হবে একসঙ্গে এত কুকুরগুলো মাতুয়াইলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এক এলাকায় বিপুল সংখ্যক কুকুর রাখলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কায় এ পরিকল্পনা দেখে সরে কেবল এটা চিন্তা করা হয়েছে। এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি স্থানান্তর করা হয় তাহলে আগে দেখতে হবে একসঙ্গে এত কুকুরগুলো মাতুয়াইলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এক এলাকায় বিপুল সংখ্যক কুকুর রাখলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে এমন আশঙ্কায় এ পরিকল্পনা দেখে সরে এসেছে কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে কুকুুর স্থনান্তরের কোনে চিন্তা বা উদ্যোগ নিচ্ছে না ডিএনসিসি তারা কুকুর বদ্ধ্যাকরন ভ্যাকসিন এবং জলাতঙ্ক টিকা দেংার কথা ভাবাছে । পসঙ্গ, ২০১৪ সালে এক বেসরকারি সংস্থাটির আবেদন প্রেক্ষিতে কুকুর নিধন বন্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত । পরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কুকুরকে ভ্যাকসিনেশন আওতায় আনার কাজ শুরু করে। পরে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন আলাদা করে ভ্যাকসিন দেয়ার উাদ্যোগ নেয়। এর পর থেকে রাজধানীর কুকুর গুলোকে বন্ধ্যাকরণ কর্মসূচি পরিচালিত হয়ে আসছিল। তবে গত কয়েক বছর ধরে এ কর্মসূচিতে তেমন সফলতা পাওয়া যায়নি।  

You May Also Like